Benefits Of Wearing Red Coral Gemstone | রক্ত প্রবাল (Rokto Probal) পাথরের উপকারিতা ও গুণাগুন

Natural Coral Gemstone : রক্তপ্রবাল রত্নপাথর

প্রবাল একটি অস্বচ্ছ রত্ন । ফার্সী ও আরবীতে মারজান বলে। ভারত ও নেপাল এই রত্নকে মুঙ্গা বা পলা বলে । রত্নটি শুকনো ও শীতল। প্রবাল লাল, গোলাপী বা গৈরিক, সাদা ও কালচে বর্ণের দেখা যায় । বর্ণের মধ্যে জ্যোতিষ শাস্ত্রমতে রক্ত প্রবাল দ্রুত ফলদায়ক। কষ্টি পাথরের ঘর্ষণে খাটি প্রবাল নিজ বর্ণ হারায় না । খাঁটি প্রবালে পোকায় কাটা দাগ আথবা ছোট ছোট গর্ত থাকার সম্ভাবনা থাকে । বিশুদ্ধ প্রবাল এসিডের সংম্পর্শে বুদ বুদ- এর সৃষ্টি করে এবং নিজ বর্ণ হারিয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
উপরত্নঃ ব্ল্যাক স্যাফায়ার (Black Sapphire)।
আমাদের সংগ্রহে থাকা রক্তপ্রবাল দেখতে ক্লিক করুন এখানে – Natural Red Coral Collection – রক্ত প্রবাল পাথর
Benefits Of Wearing Red Coral Gemstone - রক্ত প্রবাল (Rokto Probal) পাথরের উপকারিতা ও গুণাগুন

Benefits Of Wearing Red Coral Gemstone – রক্ত প্রবাল (Rokto Probal) পাথরের উপকারিতা ও গুণাগুন

উপাদান (Chemical Composition) : ক্যালসিয়াম কার্বনেট, ম্যাগনেসিয়াম এবং কপার সল্ট।
কাঠিন্যতা (Hardness): ৩-৪
আপেক্ষিক গুরুত্ব (Specific Gravity) : ২.৬-২.৭
প্রতিসরণাংক (Refractive Index) : ১.৪৮৬-১.৬৫৮
বিচ্ছুরণ (Dispersion) : (None) নাই।

বর্ণ বা রংঃ

রক্তের মত লাল অথবা গাঢ় লাল বর্ণের প্রবালকে বলে রক্তপ্রবাল (Red Coral), গোলাপি বর্ণের প্রবালকে বলে গৈরিক প্রবাল (Gold Coral) ও সাদা বর্ণেরটিকে বলে শ্বেত প্রবাল (White Coral)

প্রাপ্তিস্থান:

পৃথিবীতে সব রত্নপাথর মাটির নিচে পাওয়া যায় কিন্তু শুধুমাত্র প্রবাল ও মুক্তা পানির নিচে পাওয়া যায়। ভুমধ্যসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর, ফ্রান্স আলজেরিয়া, মরক্কো, বাংলাদেশের সেন্ট মার্টিন প্রভৃতি দেশের দ্বীপে ও সমুদ্র প্রবাল পাওয়া গেলেও গোটা বিশ্বে ইতালিজাপানের লাল প্রবালের কদর খুব বেশী ও সর্বশ্রেষ্ঠ। এর মধ্যেও জাপানি লাল প্রবাল থাকবে প্রথমে। এটি দুষ্প্রাপ্য তাই এর দামও খুব বেশি। বেশির ভাগ দোকানে ইতালিয়ান প্রবাল পাওয়া যায়।

রক্ত প্রবাল পাথরের উপকারিতা ও গুণাগুন

  • রাশিচক্রে মঙ্গল গ্রহের অশুভত্ব দূরীকরণার্থে প্রবাল ব্যবহার করা হয়।
  • স্বাস্থ্যরক্ষা, লিভারের রোগ, আমাশয় ইত্যাদি ব্যাপারে খুবই ফলদায়ক।
  • মেয়েদের জরায়ুর রোগে শ্বেত প্রবাল খুবই উপকারী ।
  • বহু রোগের উপশম হয় এই প্রবাল রত্বের দ্বারা।
  • রোমানরা ছেলে-মেয়েদের গলায় প্রবাল রত্ন ধারণ করত বিপদ আপদ থেকে রক্ষাকবচ হিসেবে এবং শিশুদের দোলনায় প্রবাল দন্ড লাগিয়ে থাকেন।
  • ইতালীতে প্রবালের মালা ধারন করা হয় কু’নজর এড়ানোর জন্য।
  • জানা যায় প্রবাল রত্নে পদ যুগল সুস্থ্য থাকে বলে ব্যালে নৃত্য শিল্পীরা একে সৌভাগ্যেরর পাথর বলে মনে করেন ।
  • ব্যবহারকারীর প্রবালের রঙ পরিবর্তন হতে থাকলে বুঝবেন যে শরীরের যে কোন রোগ বা অসুস্হতার লক্ষণ।
  • সূর্যও নির্দিষ্ট গ্রহলোক থেকে তেজ শোষণ করে প্রবাল মানবদেহে তার নীরব প্রভাব ফেলে । প্রবাল প্রকৃতির শ্রেষ্ঠ উপহার ।
প্রবাল চেনার উপায়ঃ
১। খানিকটা তুলোর ভিতর লাল প্রবাল সুর্যালোকে তিন-চার ঘণ্টা রেখে দিলে তুলোতে আগুন লেগে যায়।
২। লাল প্রবাল কাঁচা গোদুগ্ধের সঙ্গে মিশিয়ে তিন-চার ঘণ্টা রাখলে দুধ লাল বর্ণের হয়।
৩। রক্তের মধ্যে লাল প্রবাল রাখলে রক্ত জমাট বেঁধে যায়।
লাল প্রবালের আয়ুর্বেদিক শোধনঃ
ক্ষার মিশ্রিত জলে চব্বিশ ঘণ্টা রাখলে প্রবাল শোধিত হয়।
মঙ্গলের জন্য রক্ত প্রবাল ধারণ কর্তব্য। কালো আভাযুক্ত উজ্জ্বল স্বচ্ছ রত্ন পরতে হয় মঙ্গলবারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.